বাংলার মধ্যযুগের চিত্রকলা – আল হাসান
মধ্যযুগে বাংলার চিত্রকলার কী অবস্থা ছিল তা পরিষ্কার জানা যায়না।সংরক্ষনের অভাবে ও বাংলার আবহাওয়ার দরুন সে সময়কার চিত্রকলার নিদর্শন অধিকাংশই বিনষ্ট হয়ে গেছে।রক্ষা পেয়েছে শুধু করেকটি পাটাচিত্র।উচ্চবর্নের বাইরে যারা চিত্রকর ছিলেন সকলেই সূত্রধর সম্প্রদায়ের।এরা কাঠ, পাঠরের ভাস্কর্য,টেরাকোটা মন্দির,পাটাচিত্র আঁকতেন।অনেকেই ভাস্কর উপাধি পেতেন।জাত পটুয়ারা অধিকাংশই ছিলেন মুসলিম,এরা মূলত দীঘল পট বা জড়ানো প্ট আঁকতেন।শিল্পকর্মে জড়িত ছিলেন কুম্ভকার সম্প্রদায়।সামাজিক অবস্থান নিচে হলেও এরা সম্মান পেতেন।সে সময় বাংলার চিত্রকলা শুধু ব্যবসাকেন্দ্রিক ছিল না।সব শ্রেনীর মানুষ এই শিল্পকলা উপভোগ করতেন মংগলকাব্য-জীবনী-আখ্যান,কাব্য -পদাবলী-কীর্তন ও লোকসংগীত।মধ্যযুগে বাংলার শিল্পকলা ছিল জনউৎসের।সেই অর্থে ‘মার্গ’,শিল্পকলার অস্তিত্ব পাল ও সেনযুগের পর অর্থ্যাৎ ১৩ শতকের পর দেখা যায় না।
দুঃখের বিষয় হলো বাংলার মধ্যযুগের চিত্রকলার বৃত্তান্ত নিয়ে কাজ হয়েছে সামান্য।তবে একথা স্পষ্ট বোঝা যায় মধ্যযুগের সর্বস্তরের মানুষ এখনকার চেয়ে তখন অনেক বেশি চিত্রকলা উপভোগ করতেন।কয়েকজন শিল্পীর পরিচয় পাওয়া যায় মংগলকাব্য ও জীবনী সাহিত্যে। চৈতন্যদেবের নিম্ব কাষ্ঠ দিয়ে প্রথম দারুমূর্তি তৈরি৷ করেন দাঁইহাটার নবীন ভাস্কর, ১৫১৩-২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে,চৈতন্য পরিকর ও পদাবলীকার বংশীবদনের উদ্যোগে।এই মূর্তিটি বহু সংস্কারের পর এখন নবদ্বীপে রয়েছে।এই মূর্তি থেকেই সে আমলের চৌকো পটের অবয়ব গঠন কেমন ছিল তার স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যায়।হালিশহর নিবাসী নয়ন ভাস্কর বিশ্বকর্মা সাদৃশ মহাসম্মানে সম্মানিত ছিলেন একাধিক বৈষ্ণব গ্রন্থে এর উল্লেখ আছে।খেতুরি উৎসবে তিনি ছিলেন।
উনিশ শতকে বৃহদংশ শিক্ষিত বাঙালির দেশীয় শিল্পের প্রতি অবজ্ঞার কারনে এ বিষয়ে চর্চার পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। সুলতানি আমল থেকেই পারস্যের পুঁথিচিত্রন বাংলায় এসে পৌছেছিল।চিনা পরিব্রাজক মাহুয়ান বাংলার নানা শহরে পেশাদারি শিল্পীদের দেখেছিলেন।তবে পারস্য রীতির চিত্রকলা দরবার ও উচ্চবিত্ত ছাড়া কখনোই সাধারন মানুষের হাতে এসে পৌছয়নি।এ পর্যায়ে উৎকৃষ্ট চিত্র ইস্কান্দারনামা, হামিদ খানের অনুলিপি।পঞ্চদশ শতকে বৌদ্ধতান্ত্রিক চিত্রকলার ও প্রচলন ও ছিল।সেই বৌদ্ধতান্ত্রিক পুথিচিত্রের কিছু শৈলী পঞ্চদশ শতকের প্রাক চৈতন্য সাহিত্যের চিত্রিত পুথি পাটায় দেখা যায়।তবে দীর্ঘ আয়ত কর্ন বিস্তৃত চক্ষু জৈনচিত্রের অবদান। পূর্বাঞ্চলে বিলীয়মান বৌদ্ধতান্ত্রিক চিত্রকলার ২ টি পঞ্চদশ শতকীয় নমুনা পাওয়া গিয়েছে।১/কালচক্রতন্ত্র পুথিচিত্র,১৪৪৬,আরা বিহার থেকে সংগৃহীত,কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে সংরক্ষিত,২/ কারন্ডব্যুহ পুঁথিচিত্র,১৪৫৫,মুম্বাই এর হরিদাস স্বালীর সংগ্রহে আছে।এই দুটি চিত্রে পূর্ববর্তী পালযুগের চিত্রকলার সাথে অমিল বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন। নাসার তীক্ষ্ণতা,বৃহৎ চক্ষু মুখের রেখার গঠন এগুলো অনেকটাই ছিল আলাদা। জে সি ফ্রেঞ্জ বিষ্ণুপুর থেকে বিষ্ণুপুরান পুঁথির পাটা সংগ্রহ করেছিলেন যার মলাটে পাটায় অংকিত ছিল দশাবতার।তিনি বলেছেন,” This drawing process a certain mysterious vitality and savage inventiveness of design”. পূর্বভারতের আরেকটি পুথির পাটা “পিংগলতাতিভ ব্যাখ্যা” ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত।একটা পাটা বিষ্ণুর দশাবতার ও অপরটি কৃষ্ণসহ গোপীচিত্র।তিন ধরনের চিত্রের প্রচলন ছিল পঞ্চদশ শতকে। বাংলায় সহজিয়া বৌদ্ধদের অস্তিত্ব ছিল,নবচর্যাপদ ও রচিত হয়েছে কাছাকাছি সময়ে।
চৈতন্যদেব কানাই এর নাটশালায় চিত্রপট শোভিত পথ পরিক্রমা করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন চৈতন্য জীবনীগ্রন্থে তার চিত্রপট দর্শনের বিবররন রয়েছে।চৈতন্যদেব শিল্পকলার অনুরাগী ছিলেন।এক সময় কিছু কিছু বৈষ্ণব পাটবাড়ি ছিল চিত্রসমৃদ্ধ।তার আবিষ্কৃত ও সম্পাদিত চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থ ‘গৌরলীলামৃত’, বংশীবদন রচিত এ দেখা যাচ্ছে একজন ভাস্কর শ্রীবাসের ‘গোদহলীলা’ পট দেখালে গৌর নিতাই দুজনেই ‘গোপলীলানুকরন’ করে নৃত্য করেছিলেন।গৌরাংগ একটি চিত্রগৃহে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। এ থেকে বোঝা যায় পটচিত্র গৌড়ের অনেক জায়গায় প্রচলিত ছিল ও চিত্রাগৃহ ও ছিল।কৃষ্ণকীর্তনে এর উল্লেখ রয়েছে।শ্রীরুপ রচিত ললিতমাধব এর নবম অংকে ব্রজলীলা চিত্রপট দর্শনের উল্লেখ আছে৷ভাস্কর সূত্রধর সম্প্রদায় যেমন পটচিত্র একেছেন বহু যুগ ধরে, জাত পটুয়ারা ও দীঘল পট এসেছেন। মধ্যযুগে বিভিন্ন শিল্পী সম্প্রদায় নানা রকম চৌকো পট আঁকত।বিষ্ণুপুরের ফৌজদার সম্প্রদায়,শান্তিপুরের কুম্ভকার সম্প্রদায়ের অনেক ছবিই সংরক্ষিত আছে।বর্ধমানের মেরতলা গ্রামে অসাধারণ চৌখাপট আকা হত্তো,সুধাংশ রায় এগুলোতে কিউবিজম এর পূর্বাভাস দেখেছেন।বাংলার টেরাকোটা মন্দিরগুলোতে এসব পটেরই ভাস্কর্যরুপ দেখা যায়৷এখনও কুম্ভকার শিল্পীরা প্রতিমার প্রতিমার চালচিত্র এঁকে থাকেন।কর্মকার শ্রেনীর শিল্পীদের ধাতুর পাতে খোদাই করা এচিং এর নমুনা পাওয়া গিয়েছে।
শ্রীহরিদাস ৭ টি প্রাচীন চৈতন্য ও বৈষ্ণব চিত্রের উল্লেখ করেছেন৷
১/শ্রী বিশাখা দেবীকৃত শ্রীমন মদনগোপালের চিত্রপট।
২/রাধাকুন্ডে মা জাহ্নবার ঘাটে শ্রীমন মহাপ্রভুর চিত্রপট।
৩/কুঞ্জঘাটার রাজবাড়িতে সপার্ষদ মহাপ্রভুর চিত্রপট।
৪/পুরীর রাজবাড়িতে পূর্নাকৃতির চৈতন্যদেব।
৫/মুম্বাই এর ভোঁসলে হাউসে।
৬/শ্রীরাধাকুন্ডে শ্রীমদ্দাস গোস্বামীর ভজনকুটিরে রস্রাজ মহাভাব চিত্র দিল্লির সুলতান কর্তৃক আদেশে উৎকলীয় সামন্তরাজের চিত্রকর কর্তৃক সাক্ষাদৃষ্ট শ্রী গৌরাংগের অবিকল চিত্র।
৭/শ্রী চৈতন্য সংকীর্ণ শ্রীনিবাস আচার্যপ্রভুর গৃহে ছিল,খিষ্টীয় সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে ইহা নির্মিত,এঁড়েদহ ঠাকুরবাড়িতে বর্তমানে আছে।
মুর্শিদাবাদে কুঞ্জঘাটার রাজবাড়ির চিত্র অনেক সংকলনে মুদ্রিত হয়েছে।ছবিটি তেলরঙে আঁকা।দীনেশচন্দ্র সেন বলেছেন ছবিটি চৈতন্যদেবের জীবনকালেই আঁকা হয়েছিল।এড়েদার চৈতন্য সংকীর্তনের চিত্রটিও সপ্তদশ শতকে কথিত।রামকৃষ্ণদেব এই ছবিটি দেখে বরাবর অভিভূত হতেন।এই চিত্রটি সপ্তদশ শতকের বাংলার চিত্রকলার অবিস্মরণীয় উদাহরন।ষোলো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত প্রাপ্ত কয়েকটি পুথি পাটায় বৈষ্ণব ভাবধারা প্রাধান্য পেয়েছে। এগুলোতে দশাবতার,পৌরানিক কাহিনী,চৈতন্যলীলা,রামায়ন,মহাভারতের দৃশ্যকল্প পরিলক্ষিত হয়।এগুলো সংরক্ষিত আছে বিষ্ণুপুরের যোগেশচন্দ্র পুরাকৃতি ভবন,আশুতোষ মিউজিয়াম,বিশ্বভারতী কলাভবনে।মেদিনীপুরে এ ধরনের পাটা সর্বাধিক পাওয়া গিয়েছে।যেহেতু পুথি থেকে খুলে পাটাগুলো আলাদাভাবে সংগৃহীত হয়েছে তাই লিপিকাল ও অংকনকাল সঠিকভাবে জানা যায় না।পাটাচিত্রে বাংলার লোকচিত্রের সাথে ওড়িয়া ও রাজপুত শিল্পকলার মিশ্রন ঘটেছে ও জৈন চিত্রকলার ছায়া পড়েছে।
বীরভূমের একটি সপ্তদশ শতকেত পাটায় মূর্ছিত চৈতন্যদেবকে রাজা প্রতাপ রুদ্রের পদসেবার চিত্রটি পুথিচিত্র পরম্পরার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। পূর্ববাংলার পাটা চিত্রের বিবরন সংগ্রহ করা যায়নি।
পুরনো দুটি পুথি ১/ভগবৎ পুরাণঃসরসীকুমার স্বরস্বতী সংগ্রহ,১৬৮৯ এ আঁকা।২/মহিষাদল রাজবাড়ি থেকে সংগৃহীত৷ ‘রামচরিতমানস’ এর চিত্রিত পুথি।১৬৯৪ এ আঁকা।এর বিশেষত্ব হলো স্বচ্ছ গুয়াস পদ্ধতিতে আঁকা,ইংরেজ আগমনের আগে এই রীতি বাঙালি শিল্পীদের আয়ত্তে ছিল।এটি বর্তমানে আশুতোষ মিউজিয়ামে আছে।জয়দেবের গীতগোবিন্দের চিত্রিত পুথি একটি বিশিষ্ট দৃষ্টান্ত।বাংলা অক্ষরে রচিত এই পুথির শিল্পী কৃষ্ণ শর্মা।পুথিটি ৩৭ পৃষ্ঠা চিত্রিত।এখানে কাংড়া ও উড়িষ্যার পুথিচিত্রের মিশ্রিত শৈলী সেই সাথে মুর্শিদাবাদী সোনার ও কমলা রং এর ব্যবহার।এটি এশিয়াটিক সোসাইটি আছে৷আঠারো শতকে মুর্শিদাবাদ বাংলার চিত্রকলার প্রধান ক্ষেত্র ছিল।মুঘল যুগের সমাপ্তির পর উত্তর ভারতের শিল্পীরা মুর্শিদাবাদে এসেছিলেন এবং সেই সাথে মুঘল, রাজপুত এবং বাংলা তিন চিত্রকলার সম্মিলিত মিশ্রন হয়েছিল।নসীপুর এই তিন চিত্রকলার মিলনের ক্ষেত্র ছিল।নসীপুর থেকে সংগৃহীত বেহালা সংগ্রহশালায় চৈতন্যদেবের বেড়ানৃত্যের একটি অনুচিত্র রয়েছে।এটা দেশীয় গুয়াশ পদ্ধতিতে আঁকা।সোনার রেখা দিয়ে অবয়বগুলো হাইলাইট করা হয়েছে।এই চিত্রের শিল্পী কিষনগড় থেকে এসেছিলেন ১৭৫০ সালে।এই সময়ের আরেকটি বিখ্যাত অনুচিত্র হল চৈতন্যদেব ও কুকুর।
নসীপুরে প্রাপ্ত আরো দুটি গুয়াশ চিত্র রাজ্য প্রত্নতত্ত্ব সংগ্রহশালায় আছে।চৈতন্যদেবের প্রভাব শুধু উচ্চবর্নের চিত্রকর ভাস্করদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।বাংলার পটুয়ারা চৈতন্যদেবকে অবলম্বন করে পট এঁকেছেন,শত শত কৃষ্ণলীলা, রাসলীলা,চৈতন্যলীলা পট,মন্দিরে দেওয়াল চিত্র অংকিত হয়েছে।অষ্টাদশ শতকে কবি মানিক গাংগুলী অচ্যুত চিত্রকর নামে এক চিত্রকরের দেওয়াল লিখনের নৈপুন্য বর্ননা দিয়েছেন।আঠারো উনিশ শতকে বাংলার অনেক মন্দিরে দেওয়ালচিত্র বা ফ্রেস্কো অংকিত আছে।
চিত্রকলায় পারদর্শী সূত্রধর শিল্পীদের সম্পর্কে কবিকঙ্কণ চন্ডীতে মুকুন্দরামের উল্লেখ,’ছুতারপুরের মাঝে চিড়া কুটে মুড়ি ভাজে কেউ চিত্র করায় নির্মান।হুদ্দারার চৌকাঠে সূত্রধর চিত্র গঠে সবপু সমান কপাট।’
চিত্রকররা উপেক্ষিত ছিলেন একথা সত্য হলে মংগলকাব্যে তাদের কথা উল্লেখ থাকতো না।বিষ্ণুপুর মধ্যযুগে শিল্পকলার একটি কেন্দ্র ছিল।সেসময় প্রচুর টেরাকোটার মন্দির হয়েছে,আঁকা হয়েছে পটচিত্র।যে পুথির পাটাগুলো রক্ষিত ছিল তাতে বাংলার লোকায়িত শৈলী,উড়িষ্যা,রাজপুত শৈলীর স্পষ্ট মিশ্রন দেখা যায়।এই পাটাচিত্রগুলোতে বিষ্ণুপুরী শিল্পীদের অসাধারণ দক্ষতা সবসময় দেখা গিয়েছে।ফৌজদার চিত্রকররা চৌকো পট ও দশাবতার তাসের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।দীনেশচন্দ্র সেন বহুসংখ্যক শিল্পকলার উপাদানের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করিয়েছেন।মেদিনীপুর জেলার রামগড় রাজবাড়িতে বেশ কিছু পুথির পাটা ছিল।রামগড় রাজবাড়ির পূর্বপুরুষ গুজ্রাট থেকে আগত হওয়ায় এখানে বাঙালি গুজরাটি আর্টের জন্ম নিয়েছিল।গুজ্রাটি বা প্রাদেশিক রাজপুত চিত্রকলার প্রভাব এখানে ক্রিয়াশীল হওয়ায় রামগড় স্কুলের পুথির পাটা আর্টের রহস্যময় অনন্য সৃষ্টি বাংলায় সম্ভব হয়েছিল।
রামপ্রসাদ সেনের মৃত্যুর পর হালিশহরের এক পটুয়া ভোলা তার একটি সরাপট আঁকেন।দীনেশচন্দ্র সেন সেই পটের লাইন ড্রইং কপি করিয়েছিলেন।
অষ্টাদশ শতকে ইংরেজ চিত্রকারদের সান্নিধ্যে আসতে শুরু করে দেশীয় শিল্পীরা,সূচনা হয় কোম্পানি স্কুলে বাঙালি শিল্পীদের নতুন যাত্রা।এ পর্বে তিন শিল্পীর নাম পাওয়া গিয়েছে জৈনুদ্দিন,ভবানী দাস ও রামদাস।আঠারো শতকে পাওয়া কোলকাতার ধোপাপাড়ায় শশী কয়াল এর আঁকা জলরং এ মিনিয়েচার ও বিলিতি জল রং মিশ্র ছবি “শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধনগিরি ধারনের” ছবি।
তথ্যসূত্রঃ
১/বাংলার চিত্রকলা মধ্যযুগ থেকে কালিঘাট,অঞ্জন সেন,সংবেদ প্রকাশনী,ঢাকা,২০১৯,(পৃষ্ঠাঃ১১-১৯)
২/স্মৃতিকথা শিল্পকথা,প্রদোশ দাশগুপ্ত,প্রতিক্ষন প্রকাশনী,কোলকাতা,১৯৮৬,(পৃষ্ঠাঃ২১-২২)